worlddurgapuja.org, World durga puja organization, Worldwide durga puja oversee & support, durga puja,durga,puja,world,puja photo,club,sangha,barowari,commitee,bonedi,puja,kolkata,bangla,india,bangladesh,usa, কোচবিহার জেলা পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের জলপাইগুড়ি বিভাগের একটি জেলা। আয়তনের হিসেবে এটি রাজ্যের ত্রয়োদশ[২] এবং জনসংখ্যার হিসেবে ষোড়শ বৃহত্তম[২] জেলা। এই জেলার উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা; দক্ষিণে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ; পূর্বে সমের গোয়ালপাড়া জেলা এবং পশ্চিমে জলপাইগুড়ি জেলা ও বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ বস্থিত। সুনির্দিষ্ট সুসংবদ্ধ ভূখণ্ড ছাড়াও এই জেলায় কতকগুলি ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ছিটমহল রয়েছে। বর্তমান কোচবিহার জেলা তীতে বৃহত্তর কামরূপ রাজ্যের ন্তর্গত ছিল। ১৭৭২ সালে কোচবিহার রাজ্য ব্রিটিশ ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ১৯৪৯ সালে কোচবিহারের তদনীন্তন রাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ ভূপবাহাদুর রাজ্যটিকে ভারত ধিরাজ্যের হাতে তুলে দেন। ১৯৫০ সালে কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলায় পরিণত হয়। ইতিহাস মূল নিবন্ধ: কোচবিহার রাজ্য কোচবিহারের রাজপ্রতীক বর্তমান কোচবিহার জেলাটি তীতে বৃহত্তর কামরূপ রাজ্যের ন্তর্গত ছিল। কামরূপের রাজধানী দ্বিধাবিভক্ত হলে কোচবিহার ‘কামতা’-র ন্তর্গত। সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে রচিত শাহজাহাননামা গ্রন্থে কোচবিহার নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়। ষ্টাদশ শতাব্দীতে মেজর রেনেলের মানচিত্রে কোচবিহার ‘বিহার’ নামে উল্লিখিত হয়। ১৭৭২ সালে ভুটানের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে কোচবিহার-রাজ ধৈর্যেন্দ্র নারায়ণ ও ওয়ারেন হেস্টিংসের মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে কোচবিহার ব্রিটিশদের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে রাজ্যটি "কোচ বিহার" নামে পরিচিত হয় এবং এর রাজধানীর নাম হয় "বিহার ফোর্ট"। উল্লেখ্য, "কোচবিহার" শব্দটির র্থ "কোচ জাতির বাসস্থান"। কোচবিহার গেজেট নুযায়ী, মহারাজার আদেশ নুযায়ী রাজ্যের সর্বশেষ নামকরণ হয় "কোচবিহার"।[৩]:৪৭ ১৯৪৯ সালের ২৮ গস্ট রাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ কোচবিহার রাজ্যকে ভারতীয় ধিরাজ্যের হাতে তুলে দেন। এই বছর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে কোচবিহার ভারতের কমিশনার শাসিত প্রদেশে পরিণত হয়। ১৯৫০ সালের ১ জানুয়ারি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ২৯০ক ধারা বলে কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলায় পরিণত হয়।[৩]:৪৭ ভূগোল সমগ্র কোচবিহার জেলাটি উত্তরবঙ্গ সমভূমির ন্তর্গত। জেলার প্রধান নদনদীগুলি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামান্য ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়েছে। এখানকার ভূভাগ উঁচুনিচু। কোনো কোনো ঞ্চল এতটাই নিচু যে বর্ষাকালে নদীর দুকূল ছাপিয়ে বন্যা দেখা দেয়। জেলার উচ্চভূমি ঞ্চলটি শীতলকুচি ব্লকের লালবাজারে ও নিম্নভূমি ঞ্চলগুলি দিনহাটা মহকুমায় বস্থিত। এই জেলায় কোনো পাহাড় বা পর্বত নেই। তবে বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিশালাকার ঝিল দেখতে পাওয়া যায়।[৩]:৪৭-৪৮ নদ-নদী কোচবিহার জেলার ছয়টি প্রধান নদী হল তিস্তা, জলঢাকা, তোর্সা, কালজানি, রায়ডাক ও গদাধর। এই নদীগুলি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রবাহিত। হিমালয় থেকে উৎপন্ন এই নদীগুলি জলপাইগুড়ি জেলার পশ্চিম ডুয়ার্স ঞ্চল থেকে কোচবিহার জেলায় প্রবেশ করেছে। কেবল মাত্র গুম্মন নদটি ডুয়ার্স থেকে উৎপন্ন। কোচবিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগে প্রবেশ করে শেষে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে এইসব নদী। নদীগুলির পাড় উঁচুনিচু ও নদীতল বালুকাময়। বড়ো নদীগুলিতে প্রচুর পরিমাণে বোল্ডার দেখা যায়। বর্ষাকালে বন্যা, নদীপাড় ক্ষয় ও মৃত্তিকাক্ষয় দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে তিস্তা ছাড়া ন্য নদীগুলিতে বিশেষ জল থাকে না। জেলার ন্যান্য নদীগুলির মধ্যে শানিয়াজান, বুটামারা, মাতাঙ্গণ, কুমনাই, গিলান্ডি, ডুডুয়া, মুজনাই, ডোলং প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। বারংবার নদীখাত পরিবর্তনের ফলে পরিত্যক্ত নদীখাতগুলি কালক্রমে ঝিল বা বিলে পরিণত হয়। এই ঝিলগুলি বৃষ্টির জলে পুষ্ট। এখানে মৎসচাষ করা হয় এবং সেচের জল পাওয়া যায়। জেলার উল্লেখযোগ্য বিলগুলি হল ভেরভেরি, চম্পাগুড়ি, সুকানিম, সকজল, সিতল, পানিগ্রাম, জগৎবের প্রভৃতি।[৩]:৪৮ আবহাওয়া ও জলবায়ু কোচবিহার জেলার জলবায়ু তিরিক্ত আর্দ্রতাযুক্ত ও মধ্যম রকমের উষ্ণ। জেলায় গ্রীষ্মকাল মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এবং শীতকাল নভেম্বরের মধ্যবর্তী সময় থেকে ফেব্রুয়ারির শেষভাগ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষায় এই ঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে জেলার গড় উষ্ণতা থাকে সর্বোচ্চ ৩৬° সেন্টিগ্রেড থেকে সর্বনিম্ন ১৯° সেন্টিগ্রেড; আবার শীতকালের গড় উষ্ণতা সর্বোচ্চ ২৭° সেন্টিগ্রেড থেকে সর্বনিম্ন ৮° সেন্টিগ্রেড। জেলার গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২,৫০০-৩,২০০ মিলিমিটার। বার্ষিক ৭০ শতাংশ বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই হয়ে থাকে। বর্ষায় ঘূর্ণবাত ও নিম্নচাপ কেন্দ্র সৃষ্টি হয়ে তিভারী বৃষ্টিপাত ও তীব্র বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়। বর্ষার শুরুতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হয়। ক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত আকাশ মেঘমুক্ত বা প্রায় মেঘমুক্ত থাকে। মাটির প্রকৃতি কোচবিহারের মৃত্তিকা পাললিক প্রকৃতির। ধিকাংশ আলগা বালিমাটি, উপরের স্তরের দোঁয়াশ মাটি প্রায় সব জায়গাতেই তিন ফুট গভীর। কোথাও কোথাও এই গভীরতা আরও কম এবং তার নিচে বালিস্তর বিদ্যমান। পূর্বদিকের কালো দোঁয়াশ মাটি বাদ দিলে সর্বত্রই মাটি ছাই রঙের। উপরের স্তরের মাটির জলধারণ ক্ষমতা কম বলে আর্দ্রতা ধরে রাখার নুপযোগী। সংস্কৃতি কোচবিহারের জনপ্রিয় লোকসংঙ্গীত হল ভাওয়াইয়া । শিক্ষাব্যাবস্থা ঠাকুর পঞ্চানন বিশ্ববিদ্যালয়,কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়‚ পুন্ডিবারী কোচবিহার আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়[৪], তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়,মেখলীগঞ্জ মাহাবিদ্যালয়, দিনহাটা মহাবিদ্যালয়, মাথাভাঙ্গা মহাবিদ্যালয় ইত্যাদী বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ও বহুসংখ্যক উচ্চ ও নিম্নবিদ্যালয় এই জেলার ন্তর্গত ৷ পরিবহনব্যাবস্থা ৩১ নং জাতীয় সড়ক পরিবহনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহন করে ৷ এটি পূর্বে আসামরাজ্য পর্যন্ত্য বিস্তৃত ৷ প্রশাসনিক বিভাগ সমগ্র কোচবিহার জেলাকে মোট পাঁচটি মহকুমা ও ১২টি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে বিভক্ত করা হয়েছে। জেলায় মোট ৬টি পুরসভা রয়েছে। মহকুমা মহকুমা সদর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক পুরসভা কোচবিহার সদর কোচবিহার কোচবিহার-১ কোচবিহার-২ কোচবিহার মেখলিগঞ্জ মেখলিগঞ্জ মেখলিগঞ্জ হলদিবাড়ি মেখলিগঞ্জ হলদিবাড়ি মাথাভাঙা মাথাভাঙা মাথাভাঙা-১ মাথাভাঙা-২ শীতলকুচি মাথাভাঙা তুফানগঞ্জ তুফানগঞ্জ তুফানগঞ্জ-১ তুফানগঞ্জ-২ তুফানগঞ্জ দিনহাটা দিনহাটা দিনহাটা-১ দিনহাটা-২ সিতাই দিনহাটা Cooch Behar | World durga puja organization

Cooch Behar

কোচবিহার জেলা

Cooch Behar 
banglaindex_top
wdp-copy-2
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides
click for webpage containing all Slides

 

clickable Image-Map of cooch Behar District





কোচবিহার জেলা
পশ্চিমবঙ্গের জেলা
কোচবিহার শহরের কাছে তোর্ষা নদী

কোচবিহার শহরের কাছে তোর্ষা নদী
Cooch Bihar West Bengal location map.svg
স্থানাঙ্ক: ২৬.৩২° উত্তর ৮৯.৪৫° পূর্ব
সদর কোচবিহার
বৃহত্তম শহর কোচবিহার
বিভাগ জলপাইগুড়ি
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
দেশ  ভারত
প্রতিষ্ঠা ১৯ জানুয়ারি, ১৯৫০
বিধানসভা কেন্দ্র
লোকসভা কেন্দ্র
আয়তন
 • মোট ১৩০৮ বর্গমাইল (৩৩৮৭ কিমি)
জনসংখ্যা (২০০১)
 • মোট ২৪,৭৮,২৮০
সময় অঞ্চল ভারতীয় সময় (ইউটিসি+৫.৩০)
PIN 7361XX
ওয়েবসাইট http://www.coochbehar.gov.in/

কোচবিহার জেলা পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের জলপাইগুড়ি বিভাগের একটি জেলা। আয়তনের হিসেবে এটি রাজ্যের ত্রয়োদশ[২] এবং জনসংখ্যার হিসেবে ষোড়শ বৃহত্তম[২] জেলা। এই জেলার উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা; দক্ষিণে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ; পূর্বে অসমের গোয়ালপাড়া জেলা এবং পশ্চিমে জলপাইগুড়ি জেলা ও বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ অবস্থিত। সুনির্দিষ্ট সুসংবদ্ধ ভূখণ্ড ছাড়াও এই জেলায় কতকগুলি ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ছিটমহল রয়েছে।

বর্তমান কোচবিহার জেলা অতীতে বৃহত্তর কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। ১৭৭২ সালে কোচবিহার রাজ্য ব্রিটিশ ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ১৯৪৯ সালে কোচবিহারের তদনীন্তন রাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ ভূপবাহাদুর রাজ্যটিকে ভারত অধিরাজ্যের হাতে তুলে দেন। ১৯৫০ সালে কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলায় পরিণত হয়।

 

ইতিহাস

মূল নিবন্ধ: কোচবিহার রাজ্য

 
কোচবিহারের রাজপ্রতীক

বর্তমান কোচবিহার জেলাটি অতীতে বৃহত্তর কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। কামরূপের রাজধানী দ্বিধাবিভক্ত হলে কোচবিহার ‘কামতা’-র অন্তর্গত। সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে রচিত শাহজাহাননামা গ্রন্থে কোচবিহার নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মেজর রেনেলের মানচিত্রে কোচবিহার ‘বিহার’ নামে উল্লিখিত হয়। ১৭৭২ সালে ভুটানের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে কোচবিহার-রাজ ধৈর্যেন্দ্র নারায়ণ ও ওয়ারেন হেস্টিংসের মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে কোচবিহার ব্রিটিশদের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে রাজ্যটি “কোচ বিহার” নামে পরিচিত হয় এবং এর রাজধানীর নাম হয় “বিহার ফোর্ট”। উল্লেখ্য, “কোচবিহার” শব্দটির অর্থ “কোচ জাতির বাসস্থান”। কোচবিহার গেজেট অনুযায়ী, মহারাজার আদেশ অনুযায়ী রাজ্যের সর্বশেষ নামকরণ হয় “কোচবিহার”।[৩]:৪৭

১৯৪৯ সালের ২৮ অগস্ট রাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ কোচবিহার রাজ্যকে ভারতীয় অধিরাজ্যের হাতে তুলে দেন। এই বছর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে কোচবিহার ভারতের কমিশনার শাসিত প্রদেশে পরিণত হয়। ১৯৫০ সালের ১ জানুয়ারি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ২৯০ক ধারা বলে কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলায় পরিণত হয়।[৩]:৪৭

ভূগোল

সমগ্র কোচবিহার জেলাটি উত্তরবঙ্গ সমভূমির অন্তর্গত। জেলার প্রধান নদনদীগুলি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামান্য ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়েছে। এখানকার ভূভাগ উঁচুনিচু। কোনো কোনো অঞ্চল এতটাই নিচু যে বর্ষাকালে নদীর দুকূল ছাপিয়ে বন্যা দেখা দেয়। জেলার উচ্চভূমি অঞ্চলটি শীতলকুচি ব্লকের লালবাজারে ও নিম্নভূমি অঞ্চলগুলি দিনহাটা মহকুমায় অবস্থিত। এই জেলায় কোনো পাহাড় বা পর্বত নেই। তবে বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিশালাকার ঝিল দেখতে পাওয়া যায়।[৩]:৪৭-৪৮

নদ-নদী

কোচবিহার জেলার ছয়টি প্রধান নদী হল তিস্তা, জলঢাকা, তোর্সা, কালজানি, রায়ডাকগদাধর। এই নদীগুলি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রবাহিত। হিমালয় থেকে উৎপন্ন এই নদীগুলি জলপাইগুড়ি জেলার পশ্চিম ডুয়ার্স অঞ্চল থেকে কোচবিহার জেলায় প্রবেশ করেছে। কেবল মাত্র গুম্মন নদটি ডুয়ার্স থেকে উৎপন্ন। কোচবিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগে প্রবেশ করে শেষে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে এইসব নদী। নদীগুলির পাড় উঁচুনিচু ও নদীতল বালুকাময়। বড়ো নদীগুলিতে প্রচুর পরিমাণে বোল্ডার দেখা যায়। বর্ষাকালে বন্যা, নদীপাড় ক্ষয় ও মৃত্তিকাক্ষয় দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে তিস্তা ছাড়া অন্য নদীগুলিতে বিশেষ জল থাকে না। জেলার অন্যান্য নদীগুলির মধ্যে শানিয়াজান, বুটামারা, মাতাঙ্গণ, কুমনাই, গিলান্ডি, ডুডুয়া, মুজনাই, ডোলং প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। বারংবার নদীখাত পরিবর্তনের ফলে পরিত্যক্ত নদীখাতগুলি কালক্রমে ঝিল বা বিলে পরিণত হয়। এই ঝিলগুলি বৃষ্টির জলে পুষ্ট। এখানে মৎসচাষ করা হয় এবং সেচের জল পাওয়া যায়। জেলার উল্লেখযোগ্য বিলগুলি হল ভেরভেরি, চম্পাগুড়ি, সুকানিম, সকজল, সিতল, পানিগ্রাম, জগৎবের প্রভৃতি।[৩]:৪৮

আবহাওয়া ও জলবায়ু

কোচবিহার জেলার জলবায়ু অতিরিক্ত আর্দ্রতাযুক্ত ও মধ্যম রকমের উষ্ণ। জেলায় গ্রীষ্মকাল মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এবং শীতকাল নভেম্বরের মধ্যবর্তী সময় থেকে ফেব্রুয়ারির শেষভাগ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষায় এই অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে জেলার গড় উষ্ণতা থাকে সর্বোচ্চ ৩৬° সেন্টিগ্রেড থেকে সর্বনিম্ন ১৯° সেন্টিগ্রেড; আবার শীতকালের গড় উষ্ণতা সর্বোচ্চ ২৭° সেন্টিগ্রেড থেকে সর্বনিম্ন ৮° সেন্টিগ্রেড। জেলার গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২,৫০০-৩,২০০ মিলিমিটার। বার্ষিক ৭০ শতাংশ বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই হয়ে থাকে। বর্ষায় ঘূর্ণবাত ও নিম্নচাপ কেন্দ্র সৃষ্টি হয়ে অতিভারী বৃষ্টিপাত ও তীব্র বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়। বর্ষার শুরুতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হয়। অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত আকাশ মেঘমুক্ত বা প্রায় মেঘমুক্ত থাকে।

মাটির প্রকৃতি

কোচবিহারের মৃত্তিকা পাললিক প্রকৃতির। অধিকাংশ আলগা বালিমাটি, উপরের স্তরের দোঁয়াশ মাটি প্রায় সব জায়গাতেই তিন ফুট গভীর। কোথাও কোথাও এই গভীরতা আরও কম এবং তার নিচে বালিস্তর বিদ্যমান। পূর্বদিকের কালো দোঁয়াশ মাটি বাদ দিলে সর্বত্রই মাটি ছাই রঙের। উপরের স্তরের মাটির জলধারণ ক্ষমতা কম বলে আর্দ্রতা ধরে রাখার অনুপযোগী।

সংস্কৃতি

কোচবিহারের জনপ্রিয় লোকসংঙ্গীত হল ভাওয়াইয়া ।

শিক্ষাব্যাবস্থা

ঠাকুর পঞ্চানন বিশ্ববিদ্যালয়,কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়‚ পুন্ডিবারী কোচবিহার আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়[৪], তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়,মেখলীগঞ্জ মাহাবিদ্যালয়, দিনহাটা মহাবিদ্যালয়, মাথাভাঙ্গা মহাবিদ্যালয় ইত্যাদী বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ও বহুসংখ্যক উচ্চ ও নিম্নবিদ্যালয় এই জেলার অন্তর্গত ৷

পরিবহনব্যাবস্থা

৩১ নং জাতীয় সড়ক পরিবহনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহন করে ৷ এটি পূর্বে আসামরাজ্য পর্যন্ত্য বিস্তৃত ৷

প্রশাসনিক বিভাগ

সমগ্র কোচবিহার জেলাকে মোট পাঁচটি মহকুমা ও ১২টি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে বিভক্ত করা হয়েছে। জেলায় মোট ৬টি পুরসভা রয়েছে।

মহকুমা মহকুমা সদর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক পুরসভা
কোচবিহার সদর কোচবিহার কোচবিহার-১
কোচবিহার-২
কোচবিহার
মেখলিগঞ্জ মেখলিগঞ্জ মেখলিগঞ্জ
হলদিবাড়ি
মেখলিগঞ্জ
হলদিবাড়ি
মাথাভাঙা মাথাভাঙা মাথাভাঙা-১
মাথাভাঙা-২
শীতলকুচি
মাথাভাঙা
তুফানগঞ্জ তুফানগঞ্জ তুফানগঞ্জ-১
তুফানগঞ্জ-২
তুফানগঞ্জ
দিনহাটা দিনহাটা দিনহাটা-১
দিনহাটা-২
সিতাই

 

দিনহাটা

 

 

 

 

 

 

Cultures of Cooch Behar < Fairs and Festivals >

< Bhawaiya Songs >

Site-Banner

|| Admin. Blocks || Govt. Departments || Important Citizens || ‘Koch’ Royal History || Transport || Tourist Map || Tourism || Tourist Guide || More Links at Bottom ||

       Since Cooch Behar was dominated by different dynasties including the Muslims & the British, it is a land of mixed cultures, similar to those of West Bengal and Bangladesh. People of different castes & creed (Muslims, Christians and Sikhs) inhabit here along with the Hindus. However it is the culture of Hindu Bengali which predominates here. The social set-up is based mainly on the Bengali culture.

Rice and fish are traditional favourites, leading to a common saying that “fish and rice make a Bengali” (machhe bhate bangali). Meat consumption has increased with higher production in recent years. Bhuna Khicuhri (a dish made of rice and pulse) and Labra (a fully mixed-vegetable preparation) are quite popular and are served during any religious occasion. Like other parts of West Bengal, people of Cooch Behar are known to prepare distinctive confections from milk products – popular ones are Roshogolla, Chomchom Kalakand Sandesh Misti Doi and Kalojam. Among Bengal’s vast repertoire of fish-based dishes, various Ilish (Hilsa fish) preparations are favorites. Fast foods, such as Paratha (fried flat-bread), Egg-roll (flatbread roll with vegetable stuffings and egg), and Phuchka (deep fried crepe with tamarind and lentil sauce) are also widely popular. Momo is another popular snack (made from vegetable or meat fillings) which is steamed and served with soup. Another popular snack is Ghatigaram, a variety of Jhalmuri (a mixture made out of flattened rice and other spices).

Bengali women commonly wear sari (spelled as shaŗi) and salwar kameez, which are distinctly designed as per local customs. However, Western-style attire is also quite popular, especially amongst youngsters. On religious occasions men often wear traditional costumes such as the kurta or panjabi with dhoti or pyjama.

A characteristic feature of Cooch Behar is the Para or neighbourhood with a strong sense of community attachment. Typically, every Para has its own community club with a clubroom and often a playground. People here habitually indulge in adda or leisurely chat, and these adda sessions are often in the form of freestyle intellectual conversation. Residents of Cooch Behar are fond of music and generally listen to Rabindra Sangeet, Bangla Bands, Hindi Pop music and the local Bhawaiya Sangeet. The local Bengali dialect is different from the spoken Bengali in Kolkata. The local dialect is more closer to that of East Bengal and a mix of Assamese and Rajbangsi language.


The sole museum in Cooch Behar is located inside the Cooch Behar Palace. It has a variety of photographs and articles used by the Maharajas of Cooch Behar and also information about the tribals of North Bengal. The town boasts of a well-archived North Bengal State Library. Rabindra Bhawan, an auditorium, is often chosen as the venue for cultural events such as dramas, concerts, poetry-recitals, and dance programs. Temples exist throughout the district. The Madan Mohan Temple, Bara Debi Bari, Rajmata Temple, Baneswar Temple are a few of the notable centres of religious and cultural importance.

visit pages on
Cooch Behar Palace

N.B. State Library

Temples

       Popular festivals in Cooch Behar include Durga Puja in October along with Raas Purnima  when a big fair is organised adjacent to the famous Madan Mohan Temple in the town. Cooch Behar Raas Mela is the oldest in the North Bengal region. Other major festivals celebrated in the region include Poyla Baishakh (Bengali New Year), Rathayatra, Dolyatra or Basanta-Utsab, Diwali, Poush Parbone (festival in the month of Poush according to Bengali-calender), Christmas, Eid ul-Fitr, Eid uz-Zuha and Muharram. During Rathayatra, a small fair is organised at Gunjabari area of the town.

 

«
»
Translate »