Malda

WDP. - Copy (2)

মালদহ জেলা

পশ্চিমবঙ্গের জেলা
পশ্চিমবঙ্গে মালদার অবস্থান
পশ্চিমবঙ্গে মালদার অবস্থান
দেশ ভারত
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
প্রশাসনিক বিভাগ জলপাইগুড়ি
সদরদপ্তর ইংরেজবাজার
তহশিল ১১টি
সরকার
 • লোকসভা কেন্দ্র মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ
 • বিধানসভা আসন হাবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর
আয়তন
 • মোট ৩৭৩৩ কিমি (১৪৪১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ৩৯,৯৭,৯৭৭
 • ঘনত্ব ১১০০/কিমি (২৮০০/বর্গমাইল)
 • শহুরে ২,৪০,৯১১
জনতাত্ত্বিক
 • সাক্ষরতা ৬২.৭৩
 • লিঙ্গানুপাত ৯৩৯
প্রধান মহাসড়ক ৩৪ নং জাতীয় সড়ক, ৮১ নং জাতীয় সড়ক
ওয়েবসাইট [www.malda.nic.in দাপ্তরিক ওয়েবসাইট]

মালদহ জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মালদা জেলা
মালদহ জেলা
পশ্চিমবঙ্গের জেলা
পশ্চিমবঙ্গে মালদার অবস্থান
পশ্চিমবঙ্গে মালদার অবস্থান
দেশ ভারত
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
প্রশাসনিক বিভাগ জলপাইগুড়ি
সদরদপ্তর ইংরেজবাজার
তহশিল ১১টি
সরকার
 • লোকসভা কেন্দ্র মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ
 • বিধানসভা আসন হাবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর
আয়তন
 • মোট ৩৭৩৩ কিমি (১৪৪১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ৩৯,৯৭,৯৭৭
 • ঘনত্ব ১১০০/কিমি (২৮০০/বর্গমাইল)
 • শহুরে ২,৪০,৯১১
জনতাত্ত্বিক
 • সাক্ষরতা ৬২.৭৩
 • লিঙ্গানুপাত ৯৩৯
প্রধান মহাসড়ক ৩৪ নং জাতীয় সড়ক, ৮১ নং জাতীয় সড়ক
ওয়েবসাইট [www.malda.nic.in দাপ্তরিক ওয়েবসাইট]

মালদহ জেলা বা মালদা জেলা পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগের একটি জেলা। এই জেলার পশ্চিমে ও উত্তরে বিহার রাজ্য, উত্তর দিনাজপুরদক্ষিণ দিনাজপুর জেলা; পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজশাহী বিভাগ, দক্ষিণে মুর্শিদাবাদ জেলা অবস্থিত।

নামকরণ

মালদহ জেলার নামকরণ এই জেলার আদি বাসিন্দা ‘মলদ’ কৌমগোষ্ঠীর নাম থেকে। অন্যমতে ফার্সি ‘মাল’ (ধনসম্পদ) ও বাংলা ‘দহ’ শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে এই জেলার নামটির উৎপত্তি।

প্রশাসনিক এলাকা

ব্রিটিশ শাসনের আদিপর্বে মালদহ জেলার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এই জেলার কিয়দংশ পূর্ণিয়া জেলার ও অবশিষ্টাংশ অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৭৯৩ সালে মালদহ অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।[১] ১৮৫৯ সাল থেকে ১৮৭৬ সাল পর্যন্ত মালদহ জেলা রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ছিল। ১৮৭৬ সালে এই জেলা ভাগলপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ১৯০০ সালে পুনরায় রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৭ অগস্ট শিবগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাচোলগোমস্তাপুর উপজেলা বাদে মালদহ জেলা ভারত অধিরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। বর্তমানে এটি জলপাইগুড়ি বিভাগের অন্তর্গত।

অর্থনীতি

মালদহ একটি কৃষিনির্ভর জেলা। বৃহৎ শিল্পে এই জেলা বিশেষ অনুন্নত হলেও এখানকার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। সুলতানি যুগের বিভিন্ন স্থাপত্য নিদর্শনকে কেন্দ্র করে একটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন শিল্পও এখানে বিকাশলাভ করেছে। মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গের দ্বিতীয় সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়।

অবস্থান এবং জনসংখ্যা

  • অক্ষাংশ: ২৪ ডিগ্রী ৪০’ ২০” উঃ থেকে ২৫ ডিগ্রী ৩২’ ০৮” উঃ
  • দ্রাঘিমাংশ: ৮৭ ডিগ্রী ৪৫’ ৫০” পূঃ থেকে ৮৮ ডিগ্রী ২৮’ ১০” পূঃ
  • জেলার আয়তন: ৩৪৫৫.৬৬ বর্গ কিমি
  • মোট জনসংখ্যা (২০০১ জনগণনা): ৩,২৯০,১৬০
  • ধর্ম:মুসলিম ৫২.৭২%,হিন্দু ৪৬.২৮%,অন্যান্য১%।

জনসংখ্যার উপাত্ত

২০১১ সালের জনগননা অনুসারে মালদা জেলার জনসংখ্যা ৩,৯৯৭,৯৭০ [২] যেটি লাইবেরিয়ার জনসংখ্যার সমান [৩] অথবা ইউনাইটেড স্টেট অফ অরেগনর সমান।[৪] ভারতে ৬৪০টি জেলার মধ্যে জনসংখ্যা অনুসারে এটির স্থান ৫৮তম।[২] জেলার জনঘনত্ব ১,০৭১ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার (২,৭৭০ জন/বর্গমাইল)।[২]২০০১-২০১১ তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২১.৫%। [২] মালদার লিঙ্গানুপাত প্রতি ১০০০ পুরুষে ৯৩৯ জন নারী [২]এবং সাক্ষরতার হার ৬২.৭১%।[২]

নদ নদী

«
»
Translate »